ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুকে মামলা না লড়ার ঘোষণা দিয়ে বিতর্ক, পান্নাকে ট্রাইব্যুনালে তলব


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৯৩ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে আদালতে অনুপস্থিত থাকায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে দ্রুত তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে, গত ২৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই পৃথক মামলায় শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে জেড আই খান পান্নাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে নিয়োগের কয়েক দিন পর, গত ২৭ নভেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে পান্না জানান, তিনি শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার পক্ষে লড়বেন না। ভিডিওতে তিনি বলেন, “যে আদালতের প্রতি শেখ হাসিনার আস্থা নেই, সেই আদালতে আমি তার পক্ষে লড়তে পারি না।”

পান্না আরও জানান, রাষ্ট্র তাকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিলেও তিনি তখনও আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র হাতে পাননি। নিয়োগপত্র পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জানাবেন।

শেখ হাসিনার মামলায় সরে দাঁড়ালেও, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা তিনি অব্যাহত রাখবেন বলে জানান। সম্প্রতি তার বন্ধু অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় তিনি আইনগত সহায়তা দেবেন বলেও উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া, এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া ও বিচারকদের নিয়ে করা ১৮টি লিংক ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে আদালতকে জানান বিটিআরসির আইনজীবী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ফেসবুকে মামলা না লড়ার ঘোষণা দিয়ে বিতর্ক, পান্নাকে ট্রাইব্যুনালে তলব

আপডেট সময় : ০১:০৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে আদালতে অনুপস্থিত থাকায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে দ্রুত তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে, গত ২৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই পৃথক মামলায় শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে জেড আই খান পান্নাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে নিয়োগের কয়েক দিন পর, গত ২৭ নভেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে পান্না জানান, তিনি শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার পক্ষে লড়বেন না। ভিডিওতে তিনি বলেন, “যে আদালতের প্রতি শেখ হাসিনার আস্থা নেই, সেই আদালতে আমি তার পক্ষে লড়তে পারি না।”

পান্না আরও জানান, রাষ্ট্র তাকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিলেও তিনি তখনও আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র হাতে পাননি। নিয়োগপত্র পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জানাবেন।

শেখ হাসিনার মামলায় সরে দাঁড়ালেও, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা তিনি অব্যাহত রাখবেন বলে জানান। সম্প্রতি তার বন্ধু অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় তিনি আইনগত সহায়তা দেবেন বলেও উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া, এদিন ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া ও বিচারকদের নিয়ে করা ১৮টি লিংক ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে আদালতকে জানান বিটিআরসির আইনজীবী।