ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

বিচারককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টাকালে এসআই আটক, পরে মুচলেকায় মুক্তি


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বরগুনার পাথরঘাটায় একটি সিআর মামলার আসামির জামিনের তদবির করতে গিয়ে বিচারককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে পাথরঘাটা থানার এক উপপরিদর্শককে (এসআই) আদালতের খাস কামরা থেকে আটক করা হয়েছে। পরে বিভাগীয় মামলার শর্তে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আটক পুলিশ কর্মকর্তা হলেন পাথরঘাটা থানার এসআই শাহরিয়ার জালাল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালে অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন এসআই শাহরিয়ার জালাল। তিনি আদালতের সিআর নং-৭৮০/২৩ মামলার নথি দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন এবং একটি রিকল দেওয়ার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় অবৈধ প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি বিচারককে ঘুষ হিসেবে টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বিচারক বিব্রতবোধ করলে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর, জিআরও ও আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ পায়। এরপর কার্য অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণেই এসআই শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) বিষয়টি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদাকে অবহিত করেন। জেলা পুলিশ সুপারের অনুরোধে বিভাগীয় মামলার আশ্বাস দেওয়া হলে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলার জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা বলেন, বিচারক অর্ডার শিটে যে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি মূলত ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট এসআইয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিচারককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টাকালে এসআই আটক, পরে মুচলেকায় মুক্তি

আপডেট সময় : ০৬:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনার পাথরঘাটায় একটি সিআর মামলার আসামির জামিনের তদবির করতে গিয়ে বিচারককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে পাথরঘাটা থানার এক উপপরিদর্শককে (এসআই) আদালতের খাস কামরা থেকে আটক করা হয়েছে। পরে বিভাগীয় মামলার শর্তে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আটক পুলিশ কর্মকর্তা হলেন পাথরঘাটা থানার এসআই শাহরিয়ার জালাল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালে অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন এসআই শাহরিয়ার জালাল। তিনি আদালতের সিআর নং-৭৮০/২৩ মামলার নথি দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন এবং একটি রিকল দেওয়ার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় অবৈধ প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি বিচারককে ঘুষ হিসেবে টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বিচারক বিব্রতবোধ করলে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর, জিআরও ও আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ পায়। এরপর কার্য অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণেই এসআই শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) বিষয়টি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদাকে অবহিত করেন। জেলা পুলিশ সুপারের অনুরোধে বিভাগীয় মামলার আশ্বাস দেওয়া হলে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলার জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা বলেন, বিচারক অর্ডার শিটে যে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি মূলত ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট এসআইয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।