নির্বাচন উপলক্ষে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে: আইজিপি
- আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২১৩৬ বার পড়া হয়েছে
মামলার জট ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অপরাধীরা আরও উৎসাহ পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, আসামি গ্রেপ্তারের পর কোনো এলাকায় থানা ঘেরাওয়ের মতো ঘটনা ঘটলে তখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে—সে প্রশ্নও ভাবনার বিষয়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সফরকালে মেট্রোপলিটন পুলিশসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে এক বিশেষ কল্যাণ সভায় অংশ নেন আইজিপি। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বাহারুল আলম জানান, বাংলাদেশে এবারই প্রথম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সমাজের সার্বিক সমর্থন ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। পুলিশ যথাসাধ্য নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই–আগস্টের ঘটনার পর একই ধর্মের মধ্যেও সংখ্যালঘু তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন তরিকা ও মাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে।
বিগত ১৫ বছরে পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করার সমালোচনা করে আইজিপি বলেন, অতীতে পুলিশ অনেক গণবিরোধী কাজে জড়িয়েছে। সেখান থেকে বাহিনীকে ফিরিয়ে এনে সদস্যদের মনোবল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো পুলিশ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনে দেড় লাখ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ব্যবহৃত হবে বডি ক্যামেরা।
আইজিপি বলেন, রংপুর বিভাগের পুলিশ সদস্যরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং নির্বাচন উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। সমাজের পূর্ণ আস্থা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন আইজিপি।
এ সময় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




























