ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে জারি করা এ নীতিমালায় প্যারোলে মুক্তির শর্ত, সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নিম্নোক্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে—

সাধারণ নীতিমালা
১. ভিআইপি ও অন্যান্য সব শ্রেণির কয়েদি ও হাজতি বন্দিদের নিকট আত্মীয়—যেমন বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান এবং আপন ভাই-বোনের মৃত্যু হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

২. নিকট আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোনো আদালতের আদেশ বা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে বন্দিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা ও গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ মুক্তির সময়সীমা নির্ধারণ করবেন।

৩. প্যারোলে মুক্ত বন্দিকে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরায় রাখতে হবে।

৪. প্যারোলে মুক্তির সময়সীমা কোনো অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার সময়সীমা হ্রাস বা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।

৫. কোনো বন্দি যদি নিজ জেলার কেন্দ্রীয়, জেলা, বিশেষ কারাগার বা সাব জেলে আটক থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই জেলার অভ্যন্তরে যে কোনো স্থানে প্যারোল মঞ্জুর করা যাবে। অন্যদিকে, বন্দি যদি নিজ জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় অবস্থিত কারাগারে আটক থাকেন, তবে গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুর করা যাবে। উভয় ক্ষেত্রেই দুর্গম এলাকা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্যারোল মঞ্জুর বা না-মঞ্জুরের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবেন।

৬. কারাগারের ফটক থেকে পুলিশ বন্দিকে বুঝে নেওয়ার পর অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যেই তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে দিতে হবে।

প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ
নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

পূর্বের নীতিমালা বাতিল
এ নীতিমালা কার্যকর হওয়ার ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৭ এবং ৪ মার্চ ২০১০ তারিখে জারি করা পূর্বের প্যারোল সংক্রান্ত নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন

আপডেট সময় : ০৭:১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে জারি করা এ নীতিমালায় প্যারোলে মুক্তির শর্ত, সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে নিম্নোক্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে—

সাধারণ নীতিমালা
১. ভিআইপি ও অন্যান্য সব শ্রেণির কয়েদি ও হাজতি বন্দিদের নিকট আত্মীয়—যেমন বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান এবং আপন ভাই-বোনের মৃত্যু হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

২. নিকট আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোনো আদালতের আদেশ বা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে বন্দিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা ও গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ মুক্তির সময়সীমা নির্ধারণ করবেন।

৩. প্যারোলে মুক্ত বন্দিকে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরায় রাখতে হবে।

৪. প্যারোলে মুক্তির সময়সীমা কোনো অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার সময়সীমা হ্রাস বা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।

৫. কোনো বন্দি যদি নিজ জেলার কেন্দ্রীয়, জেলা, বিশেষ কারাগার বা সাব জেলে আটক থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই জেলার অভ্যন্তরে যে কোনো স্থানে প্যারোল মঞ্জুর করা যাবে। অন্যদিকে, বন্দি যদি নিজ জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় অবস্থিত কারাগারে আটক থাকেন, তবে গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুর করা যাবে। উভয় ক্ষেত্রেই দুর্গম এলাকা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্যারোল মঞ্জুর বা না-মঞ্জুরের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবেন।

৬. কারাগারের ফটক থেকে পুলিশ বন্দিকে বুঝে নেওয়ার পর অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যেই তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে দিতে হবে।

প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ
নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

পূর্বের নীতিমালা বাতিল
এ নীতিমালা কার্যকর হওয়ার ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৭ এবং ৪ মার্চ ২০১০ তারিখে জারি করা পূর্বের প্যারোল সংক্রান্ত নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।