ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

তনু হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে তলব


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে কুমিল্লার আদালতে তলব করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে সোমবার (৬ এপ্রিল) হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শুনানিকালে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১নং আমলি) বিচারক মো. মুমিন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে গ্রহণের অনুমতি দেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এটি তদন্তে নতুন অগ্রগতি আনতে পারে।

মামলার বাদী ও তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, প্রায় ১০ বছরেও হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। অসংখ্যবার বিভিন্ন দফতরে ঘুরলেও কোনো সুরাহা পাননি তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের আমলে দোষীরা শাস্তির মুখোমুখি হোক। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করতে চান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কলেজছাত্রী তনুর মরদেহ কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের কাছে কালভার্টের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরের দিন, ২১ মার্চ, তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী পদে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে:

  • প্রথমে ২১ মার্চ ২০১৬ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম।
  • দ্বিতীয়বার, ২৫ মার্চ ২০১৬ কুমিল্লা জেলা ডিবি’র ওসি এ কে এম মনজুর আলম।
  • তৃতীয়বার, ১ এপ্রিল থেকে ২৩ আগস্ট ২০১৬ সিআইডির কুমিল্লা পুলিশ পরিদর্শক গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম।
  • চতুর্থবার, ২৪ আগস্ট ২০১৬ সিআইডির নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলের এসপি জালাল উদ্দিন আহম্মদ।
  • পঞ্চমবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ মামলাটি সিআইডি থেকে পিবিআই ঢাকার সদর দফতরে স্থানান্তর। তবে ২০২০ সালের নভেম্বরের পর বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
  • ষষ্ঠবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পিবিআইয়ের ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম নিয়োগ পান।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

তনু হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে তলব

আপডেট সময় : ০৩:০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে কুমিল্লার আদালতে তলব করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে সোমবার (৬ এপ্রিল) হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শুনানিকালে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১নং আমলি) বিচারক মো. মুমিন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে গ্রহণের অনুমতি দেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এটি তদন্তে নতুন অগ্রগতি আনতে পারে।

মামলার বাদী ও তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, প্রায় ১০ বছরেও হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। অসংখ্যবার বিভিন্ন দফতরে ঘুরলেও কোনো সুরাহা পাননি তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের আমলে দোষীরা শাস্তির মুখোমুখি হোক। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করতে চান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কলেজছাত্রী তনুর মরদেহ কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের কাছে কালভার্টের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরের দিন, ২১ মার্চ, তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী পদে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে:

  • প্রথমে ২১ মার্চ ২০১৬ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম।
  • দ্বিতীয়বার, ২৫ মার্চ ২০১৬ কুমিল্লা জেলা ডিবি’র ওসি এ কে এম মনজুর আলম।
  • তৃতীয়বার, ১ এপ্রিল থেকে ২৩ আগস্ট ২০১৬ সিআইডির কুমিল্লা পুলিশ পরিদর্শক গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম।
  • চতুর্থবার, ২৪ আগস্ট ২০১৬ সিআইডির নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলের এসপি জালাল উদ্দিন আহম্মদ।
  • পঞ্চমবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ মামলাটি সিআইডি থেকে পিবিআই ঢাকার সদর দফতরে স্থানান্তর। তবে ২০২০ সালের নভেম্বরের পর বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
  • ষষ্ঠবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পিবিআইয়ের ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম নিয়োগ পান।