ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

কাজী আবুল বাশারের পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২৫১৩ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর জেলার অন্তর্গত মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী আবুল বাসার  ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রী তে ভূষিত হয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দান মারিয়ানা দ্বীপে অবস্থিত। ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক ইউনিভার্সিটি দূরশিক্ষণের জন্য পুরো পৃথিবীতে একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে বিশ্বের বিখ্যাত লোকজন পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। আবুল বাশারের  পিএইচডি-র বিষয়বস্তু ছিল পলিটিক্যাল ইকোনমিক্স।

চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে মাদারীপুরের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক পেয়েছেন তিনি। মাদারীপুরের উনি অত্যন্ত সম্মানিত এবং  জননন্দিত একজন ব্যক্তি। তার জনপ্রিয়তা এবং মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে তার অবদানের জন্য তিনি অত্যন্ত সমাদৃত।

উনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির। বর্তমানে উনি বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মসংস্থান বিভাগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অঞ্চল সহকারী পরিচালক, ফরিদপুর অঞ্চল প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়োজিত আছেন।

আবুল বাশার যেহেতু পলিটিকাল ইকোনমিক্স এর উপর গবেষণা করেছেন, ওনার গবেষণা‍য় আমাদের দেশ ও জাতির দারিদ্র্য বিমোচনের এক অসামান্য রোডম্যাপ তিনি দেখিয়েছেন।
বাশারের গবেষণা থেকে জানা যায় যে,
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অনেকগুলো এনজিও কাজ করছে, এতগুলো এনজিও কাজ করা সত্ত্বেও কেন দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে না এটা নিয়ে তিনি ২০২৩ সালে গবেষণা শুরু করলেন এবং ২০২৫ সালের ১৫ই মার্চ তিনি এই পিএইচডি ডিগ্রীতে ভূষিত হন।

এই গবেষণার ফলশ্রুতিতে, তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন যে, একমাত্র ইসলামিক শরীয়াহ ব্যাংকিং পদ্ধতির মধ্য দিয়েই দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। যেহেতু এখানে যাকাত প্রথা আছে, দান আছে, সদকা আছে এবং যেহেতু এখানে আল্লাহ তা-আলার সন্তুষ্টির বিষয়টি আছে।

এজন্য কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসলামের কোন বিকল্প নেই। আর কল্যাণকর রাষ্ট্র যখন প্রতিষ্ঠিত হবে তখনই দারিদ্র্য বিবর্জিত হবে। এটিই  ছিল তার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু।  যেখানে তিনি দেখিয়েছেন যে কী কী সীমাবদ্ধতা আছে এনজিওগুলোতে এবং কী কী সমাধান থাকতে পারে।

কাজী আবুল বাশার দেখিয়েছেন যে এনজিওগুলো থেকে মানুষ ঋণ প্রাপ্ত হয় ঠিকই, কিন্তু সেই এনজিওগুলো থেকে যে ঋণ মানুষ পাচ্ছে, এটার উচ্চ সুদ থাকার কারণে তারা সেই ঋণের অর্থ দিয়ে কোনো কোনো কিছু করতে পারছে না। অথচ ইসলামিক ব্যাংকিং এর মধ্যে আরডিএস নামে একটি পদ্ধতি আছে যেটিকে রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম বলে। এই আরডিএস পদ্ধতিতে একজন মানুষ বিভিন্ন প্রজেক্টের জন্য অর্থ ঋণ পায় এবং সেক্ষেত্রে তারা ব্যবসা করে যে মুনাফা অর্জন করে সেটি মুদারাবা পদ্ধতিতে বন্টন হয়।

জনাব আবুল বাশার  থিসিসে এটা দেখিয়েছেন যে পৃথিবীতে কোনও মানুষই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। কেউ মেধার দিক দিয়ে বড়, কেউ অর্থের দিক দিয়ে বড়। যিনি মেধার দিক দিয়ে বড় , তাকে একজন অর্থশালী ব্যক্তি সহযোগিতা করে তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। যা বর্তমান গতানুগতিক এনজিওতে এই পদ্ধতি চালু নেই কিন্তু ইসলামী পদ্ধতিতে আছে।

অর্থাৎ বর্তমান অর্থনৈতিক ও ব্যাংকির পদ্ধতির পরিবর্তে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং ও অর্থনীতি কিভাবে দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক তার এক অনন্য দলিল জনাব কাজী আবুল বাসার সাহেবের এই গবেষণাপত্র।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

কাজী আবুল বাশারের পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন

আপডেট সময় : ১১:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

মাদারীপুর জেলার অন্তর্গত মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান কাজী আবুল বাসার  ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রী তে ভূষিত হয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দান মারিয়ানা দ্বীপে অবস্থিত। ক্যালিফোর্নিয়া পাবলিক ইউনিভার্সিটি দূরশিক্ষণের জন্য পুরো পৃথিবীতে একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে বিশ্বের বিখ্যাত লোকজন পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। আবুল বাশারের  পিএইচডি-র বিষয়বস্তু ছিল পলিটিক্যাল ইকোনমিক্স।

চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে মাদারীপুরের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক পেয়েছেন তিনি। মাদারীপুরের উনি অত্যন্ত সম্মানিত এবং  জননন্দিত একজন ব্যক্তি। তার জনপ্রিয়তা এবং মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে তার অবদানের জন্য তিনি অত্যন্ত সমাদৃত।

উনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির। বর্তমানে উনি বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মসংস্থান বিভাগের কেন্দ্রীয় সম্পাদক। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অঞ্চল সহকারী পরিচালক, ফরিদপুর অঞ্চল প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়োজিত আছেন।

আবুল বাশার যেহেতু পলিটিকাল ইকোনমিক্স এর উপর গবেষণা করেছেন, ওনার গবেষণা‍য় আমাদের দেশ ও জাতির দারিদ্র্য বিমোচনের এক অসামান্য রোডম্যাপ তিনি দেখিয়েছেন।
বাশারের গবেষণা থেকে জানা যায় যে,
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অনেকগুলো এনজিও কাজ করছে, এতগুলো এনজিও কাজ করা সত্ত্বেও কেন দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে না এটা নিয়ে তিনি ২০২৩ সালে গবেষণা শুরু করলেন এবং ২০২৫ সালের ১৫ই মার্চ তিনি এই পিএইচডি ডিগ্রীতে ভূষিত হন।

এই গবেষণার ফলশ্রুতিতে, তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন যে, একমাত্র ইসলামিক শরীয়াহ ব্যাংকিং পদ্ধতির মধ্য দিয়েই দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। যেহেতু এখানে যাকাত প্রথা আছে, দান আছে, সদকা আছে এবং যেহেতু এখানে আল্লাহ তা-আলার সন্তুষ্টির বিষয়টি আছে।

এজন্য কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইসলামের কোন বিকল্প নেই। আর কল্যাণকর রাষ্ট্র যখন প্রতিষ্ঠিত হবে তখনই দারিদ্র্য বিবর্জিত হবে। এটিই  ছিল তার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু।  যেখানে তিনি দেখিয়েছেন যে কী কী সীমাবদ্ধতা আছে এনজিওগুলোতে এবং কী কী সমাধান থাকতে পারে।

কাজী আবুল বাশার দেখিয়েছেন যে এনজিওগুলো থেকে মানুষ ঋণ প্রাপ্ত হয় ঠিকই, কিন্তু সেই এনজিওগুলো থেকে যে ঋণ মানুষ পাচ্ছে, এটার উচ্চ সুদ থাকার কারণে তারা সেই ঋণের অর্থ দিয়ে কোনো কোনো কিছু করতে পারছে না। অথচ ইসলামিক ব্যাংকিং এর মধ্যে আরডিএস নামে একটি পদ্ধতি আছে যেটিকে রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম বলে। এই আরডিএস পদ্ধতিতে একজন মানুষ বিভিন্ন প্রজেক্টের জন্য অর্থ ঋণ পায় এবং সেক্ষেত্রে তারা ব্যবসা করে যে মুনাফা অর্জন করে সেটি মুদারাবা পদ্ধতিতে বন্টন হয়।

জনাব আবুল বাশার  থিসিসে এটা দেখিয়েছেন যে পৃথিবীতে কোনও মানুষই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। কেউ মেধার দিক দিয়ে বড়, কেউ অর্থের দিক দিয়ে বড়। যিনি মেধার দিক দিয়ে বড় , তাকে একজন অর্থশালী ব্যক্তি সহযোগিতা করে তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। যা বর্তমান গতানুগতিক এনজিওতে এই পদ্ধতি চালু নেই কিন্তু ইসলামী পদ্ধতিতে আছে।

অর্থাৎ বর্তমান অর্থনৈতিক ও ব্যাংকির পদ্ধতির পরিবর্তে শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং ও অর্থনীতি কিভাবে দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক তার এক অনন্য দলিল জনাব কাজী আবুল বাসার সাহেবের এই গবেষণাপত্র।